বাংলাদেশে নির্বাচন ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করল যুক্তরাষ্ট্র
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে আবারও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানান, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত 'সন্ত্রাসবাদ' বিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান মিলার।
আগামী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দিন ধার্য করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে গেলো কয়েকমাস ধরেই অতি আগ্রহ দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আসন্ন নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই প্রশ্নোত্তর চলছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে।
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে উঠে আসে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গ। এ সময় আবারও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে যুক্তরাষ্ট্র। মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, আমরা বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই এবং আমাদের এই নীতি অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কেন্দ্রে থাকবে এই নীতি।
তবে বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যু ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলতে নারাজ মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। এদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত 'সন্ত্রাসবাদ' বিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন করেন সময় সংবাদের প্রতিনিধি।
২০২২ সালের সন্ত্রাসবিরোধী মার্কিন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার সক্রিয়ভাবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়ছে। এতে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ঘটনা কমেছে। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সহিংসতাকে কেন্দ্র করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর পুনরুত্থানের শঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী? এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তাদের কাজের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?
তবে প্রশ্নটির উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান মুখপাত্র মিলার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দিন আগে একটি সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে যা বলা আছে, এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য নেই।
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ‘কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম–২০২২' প্রকাশিত হয় গেল শুক্রবার (১ ডিসেম্বর)। প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার কঠোরভাবে জঙ্গি দমন অব্যাহত রাখায় ২০২২ সালে দেশে সন্ত্রাসবাদ কমেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা গত অক্টোবরে জামা'আতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়াকে নির্মূল করার জন্য অভিযানের ঘোষণা দেয়। কয়েক ডজন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের সঙ্গে সহযোগিতায় আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাব।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার ও সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন সরকার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টারটেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট এবং বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটকে এবং দেশজুড়ে পুলিশের অন্যান্য ইউনিটকে নানা ধরনের সহযোগিতা দেয়।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








