বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের সম্মেলন থেকে বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি উঠেছে। ভারত ও বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালি শিল্পী-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিপ্রেমিদের এই সংগঠনের ঢাকা সংসদের প্রথম সম্মেলন থেকে সংস্কৃতিজনরা এ দাবি জানান।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের মুখপত্র বাসব’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
শুক্রবার (৩১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোক প্রজ্বালন করে এ সম্মেলনের প্রথমপর্বের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পিযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় প্রখ্যাত বাউলশিল্পী কাজল দেওয়ানসহ দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের মুখপত্র বাসব’র মোড়ক উন্মোচন। সংগঠনের ঢাকা সংসদের সভাপতি শাহিদুল হাসান খোকনের সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম ও মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি, বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের বিশ্ব কমিটির সভাপতি সেবক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহতাব সুমনসহ বিশিষ্টজনরা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করে বরেণ্য সাংস্কৃতিক সংগঠক পিযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সংস্কৃতিকে কখনও ভাগ করা যায় না। ভারত-বাংলাদেশ কাঁটাতারের বেড়ায় দ্বিখণ্ডিত হলেও ভাষা ও সংস্কৃতিকে কখনও দ্বিখণ্ডিত করা যাবে না। নজরুল, রবীন্দ্রনাথকে কখনো ভাগ করা যাবে না।’

আলোক প্রজ্বালন করে এ সম্মেলনের প্রথমপর্বের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পিযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শাম্মী আহমেদ বলেন, ‘জাতিসংঘে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি অন্যান্য দেশের ভাষার তুলনায় আমাদের বাংলা ভাষা অনেক সমৃদ্ধ। এ ভাষার শিল্প, সাহিত্য ও সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। আমরাই একমাত্র জাতি যারা নিজেদের ভাষার অধিকারের জন্য জীবন দিয়েছি। আমরা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাচ্ছি।’
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








