সৌদি আরবের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারবে বাংলাদেশের ফ্লা
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
সর্বশেষ ২০১২ সালে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক অনুসারে এতদিন বাংলাদেশি বিমানসংস্থাগুলো কেবল জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম ও মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারত।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী এবং সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আবদুল আজিজ এ আল-দুয়েলেজ আজ ঢাকায় সমঝোতা স্মারকে সই করেন। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের যেকোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এখন থেকে বাংলাদেশি বিমান সংস্থাগুলোর উড়োজাহাজ নামতে পারবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী এবং সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আবদুল আজিজ এ আল-দুয়েলেজ আজ মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
এর ফলে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশের নির্ধারিত বিমানসংস্থাগুলো বাংলাদেশের যেকোনো বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের যেকোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।
সর্বশেষ ২০১২ সালে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক অনুসারে এতদিন বাংলাদেশি বিমানসংস্থাগুলো কেবল জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম ও মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারত।
নতুন সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগে মাত্র ৪৯টি যাত্রীবাহী এবং কার্গো ফ্লাইটের অনুমতি ছিল। এখন ৪৯টি যাত্রীবাহী এবং ২১টি কার্গো ফ্লাইটের অনুমতি দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে একটি এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, 'সমঝোতা স্মারকের ফলে দুই দেশের বিমান চলাচল খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে। এটি বাণিজ্যসহ দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সকল ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।'
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী তৌফিক বিন ফাওজান আর-রাবিয়াহ বলেন, নতুন সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিমান চলাচল বৃদ্ধির ফলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








