ঢাকা, ২০২৬-০৮-০২ | ১৮ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

অভিবাসী শ্রমিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করছে

প্রকাশিত: ২৩:২৬, ১৯ জুন ২০২৩  

যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক ভিটে মাটি বিক্রি করে বিদেশে যায় ও বিদেশ থেকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অর্থ পাঠাচ্ছে তারা বহুরকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

সোমবার ‘অভিবাসী শ্রমিক, ন্যায়বিচারের অধিকার: চ্যালেঞ্জ ও উত্তোরনের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, আমাদের যেসব ভাই বোনরা বহু কষ্ট করে বিদেশে গিয়ে প্রতিবছর প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠায়। এটা যদি না পাঠাতো তা হলে আমাদের আর্থিক অবস্থা কি হতো? আমরা তাদের পাঠানো অর্থে দেশে উন্নয়ন ঘটাই আর তার সুফল ভোগ করি। কিন্তু বহঁ শ্রমিক বিদেশে নানাবিধ প্রতিকুলতার মধ্যে কাজ করে, বিশেষ করে নারীরা যৌন হয়রানীর শিকার হয়। তাদের এমন অবস্থা যে মহিলারা বিচার পায় না, তারা অনেকেই বন্দীর মত থাকে, বিচার বা অভিযোগও জানাতে পারে না। তার পরে অনেক সময় বেতন পায় না, খাবার পায়না, এমত অবস্থায় তারা দেশে ফিরকে বাধ্য হয়। কিন্তু ধার দেনা করে যারা যান তারা সে ধার তেনা শোধ করতে পারে না, বিচার পায় না। তিনি অভিবাসীদের কর্মস্থল নিরাপদ ও নিশ্চিত বেতনের কথা বলেন, সরকারসহ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দায়িত্ব রয়েছে, ত্রা তা সঠিকভাবে পালন করছে না।

প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব কাজী আবুল কালাম ও ডব্লিউ এআরবিইয়ের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক তাদের প্রেজেনটেশনের মাধ্যমে অভিবাসীতের অধিকার, তাদের যাবার পূর্ব ও পরবর্তি অবস্থায় কাজ, চুক্তি অনুযায়ী বেতন, কর্মপরিবেশ, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, বিচার পাওয়ার অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, যে সব এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিকরা বিদেশে কাজে যায় তারা যদি কোনো রকম চুক্তি ভাঙে তা হলে তাতের শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। তাছাড়া ভাষা ও কর্মের জন্য আরো বেশি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তারা।

অভিবাসী ও উন্নয়ন বিষয়ক পার্লামেন্টারী ককার্স আয়োজিত আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন এমপি আরমা দত্ত। এসময় উপস্থিত ছিলেন এমপি নবী নেওয়াজসহ আরো কয়েকজন সংসদ সদস্য ও কয়েকজন অভিবাসী শ্রমিক উপস্থিত ছিলে

 

 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়