ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। ১৯ এপ্রিল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হলেও মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের তেমন ভিড় ছিল না। কিন্তু বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকেই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য মানুষ গ্রামের ছুটতে শুরু করেন। অন্যদিকে, মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের পাশাপাশি যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে, এখনো পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় এলাকায় সরেজমিনে এমনই চিত্র দেখা গেছে।
কুমিল্লা যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে শিমরাইল মোড়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মহাসড়কে যানজট না থাকলেও গরমে নাভিশ্বাস হয়ে ওঠেছি। এছাড়া রাস্তায় বাসের তুলনায় যাত্রী কয়েকগুন বেশি। এখনো পর্যন্ত কুমিল্লার বাস পাচ্ছি না। কখনো বাসের দেখা মিলবে তাও জানা নেই।
পোশাকশ্রমিক আফসানা আক্তার বলেন, আজ অফিস ছুটি হয়েছে। তাই সন্ধ্যার পর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। কিন্তু বাসচালকরা বেশি ভাড়া দাবি করছেন। কমে অন্য কোনো বাসে গ্রামে যেতে পারি কিনা সেটা চেষ্টা করছি।
বাসচালক হাবিবুল্লাহ হোসেন বলেন, আজ সন্ধ্যার পর থেকে যাত্রী নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত রাস্তায় কোনো যানজট নেই। আশা করছি, কম সময়েই গন্তব্যস্থলে যেতে পারবো।
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার শিমরাইল ক্যাম্পের টিআই একেএম শরফুদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করছি, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ঈদযাত্রা স্বাভাবিক হবে। আমরা ঘরমুখো মানুষের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








