ঢাকা, ২০২৬-০৭-২৫ | ৯ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম মাসে কমেছে মূল্যস্ফীতি

প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ০২:২৯, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪  

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম মাস আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। যদিও দুই অঙ্কের ঘরেই রয়েছে মূল্যস্ফীতি। আগস্টে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আগের মাস জুলাইয়ে যা ছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গতকাল রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন পণ্য ও সেবা বাবদ মানুষের খরচের হিসাবের ভিত্তিতে প্রতি মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) বিশ্লেষণ করা হয়। এ সূচক বা সার্বিক মূল্যস্তর আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কত বাড়ল তার শতকরা হারই পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি। এটির ১২ মাসের গড় হিসাব করে তৈরি হয় বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির তথ্য।
কয়েক বছর ধরেই দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রবণতা চলছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন, কারফিউ ও সহিংস ঘটনার প্রভাবে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় গত জুলাই মাসে আরও তা বেড়ে যায়। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পৌঁছায় গত এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে।
আগস্টে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাসে মূল্যস্ফীতি খানিকটা কমে এসেছে। যদিও জুলাই ও আগস্ট টানা দুই মাস দুই অঙ্কের ঘরেই থাকল মূল্যস্ফীতি। তবে আশার কথা, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশ খানিকটা কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে হয়েছে ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আগের মাস জুলাই যা ১৪ শতাংশ ছাড়ায়।
এ ছাড়া গত মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জুলাইয়ে এটি ছিল ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আগস্টে গ্রাম ও শহর দুই জায়গাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। গ্রামে এ হার ১০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আর শহরে ১০ শতাংশের মতো। 

প্রসঙ্গত, গত কয়েক অর্থবছর ধরেই মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাখা যাচ্ছে না।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য ছিল সরকারের। শেষ পর্যন্ত তা হয় ৯ দশমিক 
৭৩ শতাংশ।
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট আলোচনার কেন্দ্রে ছিল মূল্যস্ফীতি। সরকারি-বেসরকারি নানা পক্ষের আলোচনায় ঘুরেফিরে আসে প্রসঙ্গটি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেই জানিয়ে একে বাজেটের বড় দুর্বলতা বলেও উল্লেখ করেন অর্থনীতিবিদরা।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়