বঙ্গবাজারে সন্ধ্যার পরও উৎসুক জনতার ভিড়
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
কোথাও কোনো দুর্ঘটনা বা আগুন লাগলে উৎসুক জনতার ভিড় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তাদের কারণে উদ্ধার কার্যক্রম বা আগুন নিয়ন্ত্রণে পেতে হয় বেগ। রাজধানীর বঙ্গবাজারেও দেখা গেছে এমন উৎসুক জনতার ভিড়। যে যার মতো সড়কে অবস্থান নিয়ে রয়েছেন। কেউ কেউ আবার মোবাইলে ছবি তুলায় ব্যস্ত। এতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল সরাতে সমস্যায় পড়ছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর বঙ্গবাজারে এনেক্সকো টাওয়ারের সামনে গেলে দেখা যায় এমন চিত্র। ওই টাওয়ারের বিভিন্ন ফ্লোরে আগুন নিভলেও সন্ধ্যার দিকে ওপরের ফ্লোরের দক্ষিণ দিকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী বাড়তে থাকে। তখন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ধোঁয়ার স্থান লক্ষ্য করে পানি দেন।

এছাড়া ওই ভবনের ওপর থেকে কাপড়ের বস্তা ফেলতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এসব কাপড় আগুনে পুড়ে যায়নি। তাই এগুলো নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এসময় উৎসুক মানুষের ভিড়ের কারণে মালামালগুলো নিয়ে বের হতে সমস্যায় পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।
তাদের ভিড় ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও ব্যর্থ হচ্ছেন। বারবার মাইকে বলার পরও কারও মধ্যে যেনো কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজারে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ৫০টি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি সেনা ও বিমানবাহিনীর সাহায্যকারী দল, নৌবাহিনীর সম্মিলিত দল ও একটি হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়। কিন্তু ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় পুরো বঙ্গবাজার। এতে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হন। একেবারেই নিঃস্ব হয়ে যান কোনো কোনো ব্যবসায়ী।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








