ঢাকা, ২০২৬-০৭-২৭ | ১২ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

এভিয়েশন শিল্পে কারিগরি সহযোগিতা করতে চায় জার্মানি

প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ০০:১০, ২১ মার্চ ২০২৪  

বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে কারিগরি সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জার্মানি।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোস্টারের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোস্টার এই আগ্রহের কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, কারিগরি এবং প্রশিক্ষণের বিষয়ে এই দেশের সঙ্গে বিভিন্ন সেক্টরে একত্রে কাজ করছে জার্মানি। সেই ধারাবাহিকতায় ক্রমবর্ধমান এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে কারিগরি সহযোগিতা দিতে চায় জার্মানি। এই খাতে দক্ষ টেকনিক্যাল স্টাফ তৈরির জন্য প্রশিক্ষণের বিষয়টিও তাদের পরিকল্পনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণের যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাকে ত্বরান্বিত করতে জার্মান সরকার বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পের 'মডার্ন লজিস্টিক পার্টনার' হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী। এসময় জার্মানির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা এবং সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য অভ্যন্তরীণ পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটক আকর্ষণে বাংলাদেশের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কেও জানতে চান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের এভিয়েশন শিল্পের প্রবৃদ্ধি হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এই শিল্পের যথাযথ বিকাশ এবং উন্নয়নে বর্তমান সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।  বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরে জার্মানির কারিগরি সহযোগিতা পাওয়ার প্রস্তাব আনন্দের। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

ফারুক খান আরও বলেন, বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের বিকাশেও সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। সরকারের গৃহীত নানা ব্যবস্থার ফলে এরইমধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য সরকার বিশেষ পর্যটন অঞ্চল নির্মাণ, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং পাশের দেশগুলোকে নিয়ে পর্যটন সার্কিট তৈরিসহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়াও এরইমধ্যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। এবছরই এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে। এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়