‘রোজায় গিলা-কলিজার দামও বেড়ে গেছে, মুরগির পা কিনে ফিরতে হলো’
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
'ছেলেমেয়েরা মাংস খেতে চেয়েছে। কিন্তু মাংসের যা দাম কী কিনবো! মুরগির গিলা-কলিজারও অনেক দাম। তাই মুরগির পা কিনেছি। এটাই আমাদের কাছে মাংস।'
শুক্রবার বিকেলে কারওয়ান বাজার থেকে মুরগির পা কিনছিলেন রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা হাশেমউদ্দিন। দুই ছেলে এক মেয়েসহ তার পরিবারে মোট ৫ জন সদস্য। পেশায় তিনি ফুটপাতের ব্যবসায়ী।
হাশেম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ফুটপাতে ব্যবসা করে আয় যা হয়, তা দিয়ে ভালো খাবার কেনা সম্ভব হয় না। বাসা ভাড়াই লাগে সাড়ে ৮ হাজার টাকা।'
হাশেম জানান, বাজারে মুরগির কেজি সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা। কিনতে পারবেন না আগেই জানতেন। তাই ভেবেছিলেন গিলা-কলিজা কিনবেন। কিন্তু তাও ২০০ টাকা কেজি হওয়ায়, শেষ পর্যন্ত ৮০ টাকা দরে আধা কেজি শুধু মুরগির পা কিনলেন।
একই দোকানে শুধু মুরগির গলা কিনছিলেন মোফাজ্জল হোসেন। ফার্মগেট এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে চাকরি করেন তিনি। মাসে বেতন পান সাড়ে ৯ হাজার টাকা। গ্রামের বাড়ি বগুড়ায় পরিবারের কাছে পাঠান ৫ হাজার টাকা।
জিজ্ঞাসা করতেই বললেন, 'রোজা শুরু হয়েছে। গতকাল সেহেরিতে শিমভাজি দিয়ে ভাত খেয়েছিলাম। খেতে কষ্ট হয়েছিল। আজ ভেবেছিলাম মাংস দিয়ে সেহেরি করব। সামর্থ্য নেই, তাই মুরগির গলা কিনলাম। তাও ৭০ টাকা দিয়ে আধা কেজি নিলাম।'
কারওয়ান বাজারে মুরগির গিলা-কলিজা বিক্রি করেন মো. হাসান। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'গিলা-কলিজার ক্রেতা অনেক। নিম্নবিত্ত ও দরিদ্ররা গিলা-কলিজার প্রধান ক্রেতা।'
'মুরগির বড় ক্রেতা হোটেল-রেস্টুরেন্ট' উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'হোটেলগুলো সাধারণত গিলা-কলিজা নেয় না। কিন্তু রোজা শুরু হওয়ায়, অনেক হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে গিলা-কলিজার সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে দামও বেড়ে গেছে।'
হাসান জানান, বৃহস্পতিবার শুধু গিলা-কলিজার কেজি ছিল ১২০ টাকা। শুক্রবারই তা বেড়ে ২০০ টাকা কেজি দাঁড়িয়েছে। গলা-পা-পাখনা মিলিয়ে নিলে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু পা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








