মিলছে দৈনিক ৬০ লাখ ঘনফুট গ্যাস
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
জ্বালানি সংকট নিরসনে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে দেশের ৪৬টি কূপ অনুসন্ধান, খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের পরিত্যক্ত একটি কূপ থেকে আবারও গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। এখান থেকে দৈনিক ৭০ লাখ ঘনফুট জ্বালানি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মিলছে গড়ে ৬০ লাখ ঘনফুট। গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী আবদুল জলিল প্রামাণিক।
তিনি জানান, সিলেট গ্যাস ফিল্ডের আওতাধীন ১৪টি কূপ খনন ও পুনর্খনন কাজ চলছে। এর মধ্যে সিলেট-৮, কৈলাশটিলা-৭ ও বিয়ানীবাজার-১ নামে তিনটি পরিত্যক্ত কূপ থেকে গত বছর উৎপাদন শুরু হয়। এগুলো থেকে দৈনিক ১৬-১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উৎপাদন শুরু হয়েছে গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা ২ নম্বর কূপে।
এসজিএফএল সূত্র জানায়, কৈলাশটিলা ২ নম্বর কূপ দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। গত ২৭ জুলাই এই কূপ পুনর্খনন শুরু হয়। এক পর্যায়ে চলতি সপ্তাহে এতে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এর একটি লেয়ার থেকে আগে উৎপাদন করা হয়েছিল। কিছুদিন পর এই লেয়ারে পানি আসায় উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে পুনর্খনন করে আরও একাধিক লেয়ার পাওয়া গেছে। ৯ ও ১১ নভেম্বর সেখানে পরীক্ষা করে গ্যাস পাওয়া যায়।
১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এর পর একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়। বর্তমানে এসজিএফএলের আওতায় পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র আছে। সেগুলো হলো– হরিপুর গ্যাস ফিল্ড, রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড, ছাতক গ্যাস ফিল্ড, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড ও বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড। এর মধ্যে ছাতক গ্যাস ফিল্ড পরিত্যক্ত রয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে ১৩টি কূপ থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ৯৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








