উন্নয়নে উজ্জীবিত বাংলাদেশ
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে হরেক রকম উন্নয়ন কর্মযোগে। আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে যে মাত্রায় বিশ্বসভায় পৌঁছে দিচ্ছেন তাতে এদেশের মানুষ গৌরবান্বিত। জনহিতকর নানা কাজের নান্দনিকতায় উদ্ভাসিত। আলোকের ঝর্ণাধারায় বাংলাদেশের নিত্যনতুন চলমান প্রক্রিয়া যেন সময়ের অনন্য যাত্রাপথ। অবকাঠামোর উন্নয়নশৈলী দেশের জন্য অবধারিত কর্মপ্রকল্প। যুগোপযোগী এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি যাতায়াত ব্যবস্থাও ক্রমেই হয়ে উঠছে আধুনিক ও গতিশীল। নিরবচ্ছিন্ন, নির্বিঘ্নে দেশের এগিয়ে চলা দৃশ্যমান। এরূপ উন্নয়ন অগ্রযাত্রার মাঝেও হরেক বিপন্ন প্রতিবেশের শিকার হচ্ছে দেশ, মোকাবিলা করতে হচ্ছে অপ্রত্যাশিত নানা প্রতিকূলতা। সুষ্ঠু, স্বাভাবিক আর নিরাপদে সামনে চলার স্বস্তিকর অবস্থার মাঝে নানা অপকর্ম দেশকে অরাজকতার কোপানলে বিধ্বস্ত করে চলেছে, যা উন্নয়ন যাত্রাপথের দুঃসহ পরিক্রমা। বাংলাদেশ সরকার ইউএনডিপি কর্র্তৃক নির্দেশিত সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় এগিয়ে চলতে পেছনের দিকে তাকাচ্ছে না, বিরোধী আর অপশক্তির নানামাত্রিক বিপর্যয় মোকাবিলা করেই নিত্যনতুন কর্মপ্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে যেন বদ্ধপরিকর। বর্তমানে তেমন সুবর্ণ সময় অতিক্রম করে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় যে অভাবনীয় নজির স্থাপন করে চলেছে তাও এই অঞ্চলের অপার সম্ভাবনা।
আর দেশনায়ক শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ যেভাবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই ব-দ্বীপ উদ্দীপ্ত আলোকশিখায় উজ্জ্বল হয়ে উঠছে তাও এক দুরন্ত অভিযাত্রার সফল বিন্যাস। উন্নয়নের নানামাত্রিক সুফল সারাদেশে দীপ্যমান করতে বঙ্গবন্ধুতনয়ার জুড়ি নেই। একের পর এক অবধারিত মহাপ্রকল্পের সুবর্ণ দ্বার উন্মোচনে সৃষ্টি হচ্ছে ইতিহাসের মাইলফলক। ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর ঐতিহাসিক নবযাত্রা। দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের জীবনকে আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে একীভূত করার দুরন্ত যাত্রাপথ। তা যেন আজ বাঙালির ইতিহাসে এক অনবদ্য সুবর্ণযোগ। সেই সেতুতেই রেললাইনের দ্বার খুলে দিয়ে যাত্রাপথকে যে মাত্রায় বহুমুখী করা হলো সেটাও দৃশ্যমান বাস্তবতা। অন্যদিকে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে নিয়ে যাচ্ছেন অনন্য এক যাত্রাপথে, যা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই এক বিস্ময়কর নজির। বীর চট্টলা। বহু বীরের রক্ত আর বিপ্লবে রঞ্জিত চট্টলা আজও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ঐতিহাসিক সাক্ষী। আবার সমুদ্র, পাহাড় ও নদ-নদী পরিবেষ্টিত সুশোভিত চট্টগ্রাম নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার সম্ভাবনায় অনিন্দ্যসুন্দর নগর তো বটেই। এমন সুন্দর নগরীকে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিতে আরও দীপ্যমান করার অদম্য বাসনা বঙ্গবন্ধুকন্যার মনে জাগ্রত হলো। বহু প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেলের শুভ উদ্বোধনে ২৮ অক্টোবর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম উৎসারিত আলোর নবদ্যুতিতে ঝলমল করে উঠেছিল। আনন্দ-বিহ্বলে নগরবাসী নিজেদের প্রত্যাশিত উদ্যাপন পূর্ণ করে নিল। এক নতুন যাত্রাপথের অংশীদারত্বে চট্টগ্রাম অনন্য শোভায় দক্ষিণ এশিয়াকেও চমক লাগিয়ে দিয়েছে। কেননা দক্ষিণ এশিয়ায় এমন টানেল সর্বপ্রথম। নদীমাতৃক বাংলার কর্ণফুলীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলটি নতুন এক যুগের মহাসন্ধিক্ষণে সারাদেশকে চমক লাগিয়ে দিয়েছে। সম্ভাবনাময় এমন এক মাইলফলকে চট্টগ্রামবাসী পেয়েছে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী যাত্রাপথ। এমন সব অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে অনন্য উচ্চতার পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এমন অভিগমন নিঃসন্দেহে নিবেদিত রাষ্ট্রনায়কের সুগভীর দেশাত্মবোধ আর অতি আবশ্যিকভাবে আপামর জনগোষ্ঠীর প্রতি সচেতন দায়বদ্ধতাও বটে। শুধু অসাধারণ নানা যাতায়ত ব্যবস্থাকে স্বাগত জানানোই নয়, বরং পরবর্তী পদক্ষেপগুলো আরও এক অকল্পনীয় নতুন যুগের শুভ সূচনার সম্ভাবনা জাগাচ্ছে। এসবের মাধ্যমে দেশ যেভাবে উন্নয়নের মাত্রা একের পর এক অতিক্রম করে যাচ্ছে তা অকল্পনীয়, কাক্সিক্ষত স্বপ্ন বাস্তবায়নের যাত্রা বললেও অত্যুক্তি হবে না। চট্টগ্রামের নিকটতম সমুদ্র শহর কক্সবাজার। শহরটি যুগ-যুগান্তর ধরে এক দর্শনীয় বৈভবে সারাবিশ্বের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে আসছে, সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে বরাবরই এগিয়ে থেকেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই সমুদ্র শহর কক্সবাজারে আরও এক নজরকাড়া, অনিন্দ্যসুন্দর যাতায়াত ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ১১ নভেম্বর উদ্বোধন করলেন তেমন এক অসাধারণ কর্মপ্রকল্পের আধুনিক ও নবযাত্রার দৃশ্যমান ফলক। অভাবনীয়, সম্ভাবনাময় ও ব্যতিক্রমী এই দ্বার উন্মোচন শুধু দেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়াকেও চমক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে তৈরি রেলস্টেশন দেশের ইতিহাসের যাতায়াত ব্যবস্থায় সর্বোত্তম অর্জনগুলোর অন্যতম তা অনায়াসেই বলা যায়। জাপানের জাইকা কোম্পানির বিনিয়োগে অনিন্দ্যসুন্দর এই সম্ভাবনাময় চমক সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছেছে। এক জনমে একজন রাষ্ট্রনায়কের পক্ষে আর কত কিছু করা সম্ভব তাও ভাবা উচিত আমাদের। অদম্য, নিরলস ও অনন্য কর্মসাধনায় প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নিঃশর্ত সমর্পণ করে এক অবিস্মরণীয় যাত্রাপথকে নিয়ত আলিঙ্গন করতে পেছন ফিরে তাকাচ্ছেন না। দৃষ্টি তাঁর সম্মুখে অবারিত, নির্র্বিঘœ এবং মনোসংযোগ নিবিড়। ক্ষমতার সময় চলছে লাগাতার চৌদ্দ বছর। তার মধ্যে একের পর এক উপহারের ডালি সাজিয়ে দেশকে যে মাত্রায় উজ্জীবিত করে চলেছেন সেখানে তিনি অজেয়, অদ্বিতীয় এবং অতুলনীয়। অভাবনীয় রেললাইনের নবযুগ আগামী দিনগুলোয় সংশ্লিষ্টদের যে মাত্রায় সিক্ত করবে সেখানে তর্কাতীতভাবে প্রধানমন্ত্রী সকলের হৃদয়ে নিভৃতে আলোড়নও তুলবেন। মনে হয় শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সকলেই তা স্বীকার করবেন। কারণ এমন সব দেশীয় কর্মপরিকল্পনা নির্দিষ্ট দলকে ছাড়িয়ে সারাদেশকে আলোকিত করে সামনে এগিয়ে নিচ্ছে। যার সুফল থেকে কেউই বঞ্চিত হবেন না। বিরোধী পক্ষও নয়।
কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন যাত্রাপথে তাদের যে অনভিপ্রেত ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ তা কি শুধু দেশটার অধোগতির জন্যই? জবাবটা অবশ্যই তাদের কাছে। বিরোধী অপশক্তি জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করে নৈরাজ্য তৈরি করে দেশের সর্বনাশ ডেকে আনছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।
তবে তাতে উন্নয়নযাত্রা থামানোর কাজটি বেশ কঠিনই হবে বোধ হয়। দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের ভালোমন্দ বোঝে। ততটা রাজনীতিসচেতন না হয়েও মাতৃভূমিকে অকৃত্রিম ভালোবাসে। সাধারণ মানুষের তেমন দেশাত্মবোধের চেতনা মোকাবিলায় অপশক্তি কখনো দাঁড়াতে পারেনি, সামনেও ব্যর্থতার পরিচয় দেবে বলে প্রত্যাশা। দূরভিসন্ধিতে বিরোধী শক্তি নির্বাচন বাতিলের পাঁয়তারায় যে অকারণ অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে যাচ্ছে তার মাশুল কিন্তু একদিন তাদেরই গুনতে হবে। সেটা বুঝতেও তাদের খুব বেশি সময় লাগবে না। সামনে নির্বাচন। ইতোমধ্যে কমিশন কর্তৃক সর্ববিধ প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠান অত্যন্ত জরুরি। তার ব্যত্যয় কোনোভাবেই করতে চায় না বর্তমান সরকার। বদলে যাওয়া বাংলাদেশের আধুনিক নির্মাতা প্রধানমন্ত্রী বিজয় সরণির ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ উদ্বোধন করতে গিয়ে বিরোধী দলের অরাজক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন, কোনো অপশক্তিই উন্নয়নের অবধারিত যাত্রাপথকে রুখতে পারবে না। দেশ ও জাতিকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর শেখ হাসিনা সমস্ত বাধা-বিঘœকে অতিক্রম করতে বারবার দুঃসাহসের ধজা উড়িয়েছেন। সামনেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই জনগণের প্রত্যাশা।
মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার রেললাইনের সংযোগ উদ্বোধন করে দেশ ও দশের নিত্যজীবনের নবসম্ভাবনাকে আরও জোরালো করে তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়ন ও মহৎ কর্মপ্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর মূল্যবান জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন বারবার। অনেকবার তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তাও ইতিহাসের নির্মম যাতনা। সেই ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকেই তাঁর জীবন কখনো নির্বিঘ্ন ছিল না। পদে পদে হোঁচট খেয়েছেন অদম্য চলার পথে। ভেতরে অনন্য অন্তর্নিহিত শক্তি ও বোধে কেমন করে যেন সব দুমড়ে-মুচড়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তা কল্পনারও অতীত। খালি হাতে স্বজনহীন লড়াকু জীবন পরিক্রমায় মহাভারতের সব্যসাচির মতো দু’হাতে সমানভাবে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন।
নজরুলের ভাষায়-
আমি ইন্দ্রানি সুত, হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি
আর হাতে রণতূর্য
তা না হলে এত দীর্ঘ কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করা হয়তো সম্ভব হতো না। অসম সাহসী এক বীর নারী রক্তাক্ত পিচ্ছিল পথ পার হওয়াই শুধু নয়, বরং উন্নয়ন গতিশীলতায় দেশ ও জনগণকে পূর্ণ করে দিচ্ছেন অসাধ্য এক সাধন। এক দিকে শত্রু পরিবেষ্টিত কণ্টকাকীর্ণ যাত্রাপথ অতিক্রম করা আবার অন্যদিকে উন্নয়নের ক্রমাগত আধিপত্যে দেশ ও জনগণকে আধুনিকতার নির্মাল্যে ভরিয়ে দেওয়া অপার এক মহিমান্বিত শক্তি তো বটেই। সামনে শুধু কি নির্বাচন? আরও কত আশঙ্কা আর বিপন্ন যাত্রাপথ পাড়ি দিতে হবে তেমন জবাব তো সময়ের কাছে।
অপ্রত্যাশিত কোনো অরাজক পরিস্থিতি দেশ ও জনগণের নিমিত্তে কখনো মাঙ্গলিক হয় না। অবরোধের অজুহাতে চরপাশে যে অবাধ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে তাতে দেশের কষ্টার্জিত জাতীয় সম্পদ বিপন্নতার শিকার হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার লোকসান গুনতে হবে সামনের দিনগুলোতে। বিরোধী দল চাইবে সব দায়ভার চাপাতে সরকারের ওপর। নিজেরা যে কত সম্পদ নষ্ট করে যাচ্ছে তেমন হিসাব তারা কখনো করেনি, আগামীতেও করবে না। বরং সামান্য ঘাটতি আর দুর্বিপাক হলেই অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয় ক্ষমতাসীন সরকারকে। যিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তিনি কিন্তু কখনোই জাতীয় সম্পদ, দেশ ও মানুষের অনিষ্ট চাননি, চাইতে পারেন না। কেননা, তাতে তো নিজেদেরই ক্ষতি হবে সবচেয়ে বেশি। বিরোধী দলের সহিংস বিপত্তির মাঝে সরকার তার উন্নয়ন যাত্রাপথকে সাবলীলভাবে বেগবান করে যাচ্ছে। নানা কারণে চলমান কর্মপ্রকল্প থমকে গেলে সময় ও অর্থের অপচয় হয় সবচেয়ে বেশি। তেমন দায়ও কিন্তু শেষ অবদি সরকারের ওপরই বর্তায়। এমনিতেই বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করাও কঠিন হয়ে যায়, তার ওপর অহেতুক বাড়তি বিপত্তি উন্নয়ন কর্মযোগকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করায় তা সকলেরই জানা।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








