টানা দুই মাস ১২ শতাংশের ওপরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি, মানুষের কষ্ট কমছে
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশে, যা আগস্টের ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ থেকে সামান্য কম।
বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক শেষ করেছেন মীর রাসেল। বর্তমানে তিনি বেসরকারি খাতে চাকরি খুঁজছেন। কিন্তু, খাদ্য পণ্যের আকাশছোঁয়া দামের অসহনীয় হয়ে উঠেছে তার জীবনযাপন। উচ্চ মূল্যের কারণে খাদ্য তালিকা থেকে ফল ছাঁটাই করেছেন। কারণ টিউশনি করে জীবিকা নির্বাহ কার রাসেলের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে।
মীর রাসেল ডেইলি স্টারকে বলেন, 'উচ্চমূল্যের বাজারে জীবনযাপন সত্যিই অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এখন সবকিছুর দাম আকাশছোঁয়া। খাবারের প্লেটে মাছ ও মাংসের
তিনি রাজধানীতে দুই রুমের ভাড়া বাসায় থাকেন। সেখানে তার সঙ্গে আরও আটজন থাকেন। ২৬ বছর বয়সী এই তরুণের আয়ের প্রধান উৎস টিউশনি। সেই আয় দিয়েই বেশিরভাগ ব্যয় বহন করেন। ফলের দাম সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়ায় ফল কেনা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন এই তরুণ।
শুধু রাসেল নয়, চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের মানুষের জীবনযাপনে প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট ও নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা সীমিত করেছে মূল্যস্ফীতি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশে, যা আগস্টের ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ থেকে সামান্য কম। কিন্তু, এক বছর আগের একই মাসের চেয়ে প্রায় তিন পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেশি।
ফলে, বেশিরভাগ খাদ্য পণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ফলে, সাধারণ মানুষের আয়ের বেশিরভাগ ব্যয় করতে হয়েছে খাদ্য পণ্য কিনতে।
তবে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও কিছুটা কমে হয়েছে ৭ দশমিক ৮২ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) হয়েছে ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ, যা ১২ বছরের মধ্যে আগস্টে রেকর্ড করা মূল্যস্ফীতির চেয়ে ২৯ বেসিস পয়েন্ট কম l
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








