সাক্ষাৎকারে আলী হায়দার চৌধুরী
নিয়মিত শ্রমবাজারের সংখ্যা কম
প্রবাস নিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেছেন, সরকার ১৬২টি দেশে শ্রমবাজারের কথা বললেও নিয়মিত বাজারের সংখ্যা কম। মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি মালয়েশিয়া এবং নতুন বাজার রোমানিয়ায় কর্মী যাচ্ছে।
সম্প্রতি ভোরের কাগজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজারের সিন্ডিকেট জটিলতা কাটেনি। এই জটিলতা দূর হলে বাংলাদেশ সহজে অনেক কর্মী পাঠাতে পারবে। রেমিট্যান্স বাড়বে। এমনিতে গত দুই মাসে রেমিট্যান্স আসা বাড়লেও শ্রমবাজার নিয়ে আমরা মাঝামাঝি অবস্থায় আছি। ভালোও না, খারাপও না। প্রতিযোগিতার বাজারে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। কর্মী পাঠাতে দীর্ঘসূত্রতা দূর করতে হবে। অন্যান্য দেশে কর্মী পাঠানো নিয়ে আমাদের মতো এত জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা নেই। রেমিট্যান্স বাড়াতে ব্যাংকিং সেবা যুগোপযোগী ও শ্রমিকবান্ধব করতে হবে।
তিনি বলেন, অনেক শ্রমিক নানা জটিলতায় ব্যাংকে টাকা না পাঠিয়ে হুন্ডিতে পাঠায়। এর কারণ চিহ্নিত করে বৈধভাবে যাতে বিদেশের সব টাকা আসে তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। কার্ভ মার্কেটে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় হুন্ডিতে অনেকের আগ্রহ বেশি। বাজার যেমন বাড়াতে হবে তেমনিভাবে কর্মীদের কাজও নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশে এখনো দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। সেই চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সক্ষম।
মালয়েশিয়ার বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে রিক্রটিং এজেন্সিগুলোতে বিভক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজার সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। এতে কর্মী পাঠানোর খরচ কমবে। হয়রানি দূর হবে। বায়রার এই নীতিনির্ধারক জানান, শ্রমবাজার নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় সরকারের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলেন। সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খোঁজেন। কিন্তু নানা জটিলতায় সমস্যার সমাধান হয় না।
Source : Bhorer Kagoj
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








