দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে পরীক্ষামূলক ট্রেন যাবে ১৫ অক্টোবর
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নবনির্মিত রেলপথে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালু হবে ১৫ অক্টোবর। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের পটিয়া রেলস্টেশনে ট্রায়াল ট্রেন এসে পৌঁছেছে। এই ট্রেনের ছয়টি বগির প্রতি বগিতে আসন সংখ্যা ৬০ জন। দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০১ কিলোমিটার রেলপথের ৮৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ এ মাসেই শেষ হবে।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় পাওয়ার ওপর উদ্বোধনের দিনক্ষণ নির্ভর করছে। জনবল, ইঞ্জিন ও বগি সংকটে শুরুতে মাত্র এক জোড়া ট্রেন চালানোর প্রস্তাব করেছে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়। অর্থাৎ একটি ট্রেন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার যাবে। দুটি বিকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রেনটি রাতে ঢাকা থেকে যাত্রা করে পরের দিন সকালে কক্সবাজারে পৌঁছাবে। সেই ট্রেন পরের দিন ঢাকায় ফিরবে।
রেলের একজন কর্মকর্তা জানান, ডিসেম্বরের আগে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু কঠিন। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম ছয়টি আন্তঃনগর ট্রেন চলে। সেগুলো কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা সম্ভব। তবে এর জন্য জনবল, ইঞ্জিন-বগি প্রয়োজন। এসব এই মুহূর্তে নেই। তাই সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকার রেলপথের সুফল পেতে আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে।
রেলের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার ট্রেন চালানো সম্ভব। চীন থেকে কেনা নতুন বগিতে তৈরি ট্রেন চালানো হবে এ রুটে। এসব ট্রেনের ২০ এক্সেল লোডের ট্রেন কালুরঘাট সেতুতে চলার উপযোগী নয়। ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি সংস্কারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সঙ্গে চুক্তি করেছে রেলওয়ে।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যে অবস্থানে
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- চীনা বিনিয়োগকারীদের দেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান ড. ইউনূসের
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন








