ঢাকা, ২০২৬-০৮-০২ | ১৭ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

`যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে কমছে পোশাক রপ্তানি`

প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ২২:২৪, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

মানবজমিনের প্রধান খবর, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে কমছে পোশাক রপ্তানি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান দুই বাজার উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে সামগ্রিক পোশাক রপ্তানি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে এক-তৃতীয়াংশ ও ইউরোপের বাজারে কমেছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ যায় এ দুই বাজারে।

এ দুটি বাজারে কোন কারণে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে তার বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পড়ে। মঙ্গলবার তৈরি পোশাক খাতের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এর মধ্যে চলতি বছর ন্যূনতম মজুরি বোর্ড তথা নতুন মজুরি কার্যকর হলে পোশাক শিল্প আরও চাপে পড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজিএমইএ নতুন বাজারগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘রেমিট্যান্সের বিপর্যয় আরো গভীর হয়েছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত আড়াই বছরে বিদেশের শ্রমবাজারে প্রায় ২৪ লাখ বাংলাদেশি নতুন করে যুক্ত হলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ তো বাড়েইনি, উল্টো আরও কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম।

চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ১০৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। নিকট অতীতে কোনো মাসে এত কম রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা যায়নি। দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার শুরুটা গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে।

ওই সময় আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর বেঁধে দেয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোয় বিশেষ পরিদর্শন চালায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়