ঢাকা, ২০২৬-০৮-০২ | ১৭ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

পরিসংখ্যান: এশিয়া কাপে বাংলাদেশ

প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ০৭:০০, ২৮ আগস্ট ২০২৩  

এশিয়া কাপের ১৬তম আসর শুরু হবে আগামী ৩০ অগাস্ট। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের আসরটি হবে ওয়ানডে সংস্করণের। বাংলাদেশ মাঠে নামবে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে। সেদিন ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন দল।

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে স্বাগতিক হিসেবে থাকছে দুটি দেশ। পাকিস্তানে আয়োজিত হবে চারটি ম্যাচ। শ্রীলঙ্কায় হবে বাকি নয়টি। পুরো আসরটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে দেশটিতে যেতে রাজী নয় ভারত। তাই হাইব্রিড মডেলে দুটি দেশকে আয়োজক করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)।

এশিয়া কাপের আগের ১৫ আসরের মধ্যে দুটি হয়েছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। বাকি ১৩টি ছিল ওয়ানডে সংস্করণের।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান (সব মিলিয়ে):

* এশিয়া কাপের কেবল একটি আসরে খেলেনি বাংলাদেশ। ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধনী আসরে যে তিনটি দল ছিল তারা হলো ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ ১৯৮৬ সাল থেকে টানা অংশ নিয়ে যাচ্ছে।

* ওয়ানডে সংস্করণের এশিয়া কাপে ৪৩ ম্যাচ খেলে সাতটিতে জিতেছে বাংলাদেশ, হেরেছে বাকি ৩৬টিতে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে সাত ম্যাচে তিন জয়ের বিপরীতে টাইগারদের হার চারটিতে।

* শিরোপা জেতার স্বাদ না পেলেও তিনবার এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ। দুবার ওয়ানডে সংস্করণে (২০১২ ও ২০১৮ সালে) ও একবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণে (২০১৬ সালে) রানার্সআপ হয়েছে তারা।

* সর্বোচ্চ পাঁচবার এশিয়া কাপের স্বাগতিক হিসেবে থেকেছে বাংলাদেশ। ১৯৮৮ সালে প্রথমবার প্রতিযোগিতাটির আয়োজক ছিল তারা। এক যুগের ব্যবধানে ২০০০ সালে ফের এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে। এরপর টানা তিনটি আসরে (২০১২, ২০১৪ ও ২০১৬) স্বাগতিক ছিল তারা।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান (ওয়ানডে সংস্করণে):

* এশিয়া কাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন সাবেক স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। ১৮ ম্যাচে ৩৬.১৮ গড়ে তিনি পেয়েছেন ২২ উইকেট। এই তালিকায় দুইয়ে আছেন সাকিব (১৩ ম্যাচে ১৯ উইকেট) ও তিনে মাশরাফি বিন মর্তুজা (১৯ ম্যাচে ১৮ উইকেট)।

* বাংলাদেশের কোনো বোলার এশিয়া কাপের এক ম্যাচে ৫ উইকেট নিতে পারেননি। ৪ উইকেট করে নিয়েছেন তিনজন। তারা হলেন সাইফুল ইসলাম, সাকিব ও মোস্তাফিজুর রহমান।

* এশিয়া কাপে বাংলাদেশের জার্সিতে সেরা বোলিং ফিগার সাবেক পেসার সাইফুলের দখলে। ১৯৯৫ সালে শারজাহতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৬ রানে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।

* বাংলাদেশের পক্ষে এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মুশফিকুর রহিম। ২১ ম্যাচে ৩৬.৭৮ গড় ও ৮৪.৫২ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেছেন ৬৯৯ রান। তার নামের পাশে আছে দুটি করে সেঞ্চুরি ও হাফসেঞ্চুরি। এই তালিকায় তামিম ইকবাল (১৩ ম্যাচে ৫১৯ রান) দুইয়ে ও সাকিব (১৩ ম্যাচে ৪০২ রান) তিনে আছেন।

* এশিয়া কাপে বাংলাদেশের পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক মুশফিক। ২০১৮ সালে দুবাইতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৪ রান করেছিলেন তিনি। ১৫০ বল মোকাবিলায় তিনি মেরেছিলেন ১১টি চার ও চারটি ছক্কা।

* বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটার এশিয়া কাপে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সর্বোচ্চ দুটি শতরানের ইনিংস খেলেছেন মুশফিক। একটি করে সেঞ্চুরি আছে লিটন দাস, অলক কাপালি, মোহাম্মদ আশরাফুল ও এনামুল হক বিজয়ের।

* ন্যূনতম ১০০ রান করা বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট সাকিবের (১০৩.০৭)। মোট ৩৯০ বল মোকাবিলায় তিনি করেছেন সব মিলিয়ে ৪০২ রান।

* এশিয়া কাপে উইকেটরক্ষক হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল মুশফিকের। ২১ ম্যাচে তার ডিসমিসাল সংখ্যা ১৭টি (১৪টি ক্যাচ, তিনটি স্টাম্পিং)।

* এশিয়া কাপে যে কোনো উইকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ জুটির মালিক জুনায়েদ সিদ্দিকি ও ইমরুল কায়েস। ২০১০ সালে ডাম্বুলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে ১৬০ রান যোগ করেছিলেন তারা।

লিটনকে নিয়ে দুর্ভাবনা নেই হাথুরুসিংহের, আছে অনেক প্রত্যাশা

আসন্ন এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে লিটনকে বড় ভূমিকায় দেখতে চান তিনি।

ব্যাট হাতে লিটন দাসের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশের সুযোগ কম। শুরু পেলেও ইনিংস বড় করার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় ভুগছেন তিনি। তবে ডানহাতি এই ওপেনারের ছন্দের ঘাটতি নিয়ে ভাবনা নেই চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। বরং তাকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রধান কোচের প্রত্যাশার পারদ অনেক উঁচুতে। আসন্ন এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে লিটনকে বড় ভূমিকায় দেখতে চান তিনি।

চলতি বছর ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলেছেন লিটন। ১২ ম্যাচের প্রতিটিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন তিনি। তবে নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৩০.১০ গড়ে তার সংগ্রহ ৩০১ রান। তিনি ফিফটি করেছেন তিনটি, পাননি কোনো সেঞ্চুরি। অথচ গত বছর এই সংস্করণে লিটনের ধারাবাহিকতা ছিল অসাধারণ। ৫২.৪৫ গড়ে একটি সেঞ্চুরি ও চারটি হাফসেঞ্চুরিতে ১৩ ম্যাচে ৫৭৭ রান করেছিলেন।

আগামী ৩০ অগাস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপে লিটনের কাঁধে থাকবে গুরুদায়িত্ব। ওপেনিংয়ে দলকে ভালো শুরু পাইয়ে দেওয়ার চাহিদা পূরণে তার ব্যাটের দিকে চেয়ে থাকবে বাংলাদেশ। কারণ সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খেলতে পারছেন না চোট থেকে সেরে ওঠার লড়াইয়ে থাকায়। আর স্কোয়াডে অন্য যে দুজন ওপেনার আছেন, তারা অনভিজ্ঞ। নাঈম শেখ এখন পর্যন্ত খেলেছেন মাত্র চারটি ওয়ানডে। আর তানজিদ হাসান দলে সুযোগ পেয়েছেন প্রথমবারের মতো।

গত দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও সংগ্রাম করতে হয়েছে লিটনকে। তবে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহে জানান, শিষ্যের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত নন তিনি, 'আমার মনে হয় না… তার ফর্ম নিয়ে এই মুহূর্তে আমার কোনো দুর্ভাবনা নেই। কারণ সে কানাডা ও শ্রীলঙ্কায় যেসব টুর্নামেন্টে খেলেছে, সেসব ছিল টি-টোয়েন্টি। সে কঠোর অনুশীলন করছে। যে টুর্নামেন্টগুলোতে সে খেলেছে যদি সেগুলোর দিকে তাকান, দেখবেন পিচগুলো খুব ভালো ছিল না, হাই-স্কোরিং ছিল না, বিশেষ করে কানাডায়। আর শ্রীলঙ্কাতেও কিছুটা সেরকমই ছিল। তো যা কিছু রানই সে করেছে, সেসব রানের ইমপ্যাক্ট ছিল। হ্যাঁ, আমরা তাকে দেখতে চাই ভিন্নভাবে, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বড় ভূমিকা পালন করতে। আশা করি, সে তা করে দেখাবে।'

থিতু হওয়ার পর লিটনের আউট হয়ে যাওয়া নিয়ে কিছুটা ভাবনা আছে বাংলাদেশের প্রধান কোচের। তবে তার আশা, গত বছরের মতো নজরকাড়া ফর্মে ফিরবেন স্টাইলিশ এই ব্যাটার, 'সে নিজেও মনে করে যে তার আরও ভালো করা উচিত ছিল। আমরাও মনে করি, সে যা করছে, এর চেয়ে অনেক ভালো করার সামর্থ্য তার আছে। অবশ্যই সেই ফর্ম সে আবারও দেখাবে যেটা বছর দুয়েক আগে ছিল, যখন সে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিল। ওই ধরনের পারফরম্যান্সই তার কাছে আমরা প্রত্যাশা করছি।'

প্রস্তুতি নিয়ে ভীষণ খুশি হাথুরুসিংহে

‘ক্লোজডোর’ এই কঠোর অনুশীলন নিয়ে এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাংলাদেশের কোচ। তারা এই কদিন কী কী করলেন তা বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি

এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে মিরপুরে বাংলাদেশ দল অনুশীলন করেছে একদম নিবিড় এবং বেশ কিছুটা গোপনীয়ভাবে। স্কিল অনুশীলনের সেশনগুলোতে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল না। সপ্তাহ তিনেকের অনুশীলন নিয়ে ভীষণ সন্তুষ্ট প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। এই কদিন আসলে তারা কী করলেন তা বিস্তারিত তুলেও ধরেছেন তিনি।  

গত মাসের শেষ দিকে ফিটনেস ও মেডিকেল পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয় জাতীয় দলের প্রস্তুতি। এশিয়া কাপের দল দেওয়ার পর অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে কোচ হাথুরুসিংহে এসে শুরু করেন স্কিল অনুশীলন।

ধাপে ধাপে সেই অনুশীলন চলেছে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সেদিন নিজেদের ভেতর একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেন ক্রিকেটাররা। প্রতিটি অনুশীলনেই ১৫ মিনিটের বেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল না।

'ক্লোজডোর' এই কঠোর অনুশীলন নিয়ে এশিয়া কাপে যাওয়ার আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাংলাদেশের কোচ। তারা এই কদিন কী কী করলেন তা বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি,  'প্রস্তুতি নিয়ে আমি ভীষণ খুশি। আমরা ফিটনেস ও মেডিকেল দিয়ে শুরু করেছি। এরপর স্কিল উন্নতির কাজ করেছি সাতদিন। পরের সাতদিন কৌশলগত ও ভূমিকা সম্পর্কিত অনুশীলন করেছি। শেষ পাঁচদিন ছিল ব্যক্তিগত অনুশীলনের, তারা কি করতে চায় তা নিয়ে। সব শেষে আমরা একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি।'

প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা যে কতটা তীব্রতা নিয়ে তা খেলেছেন সেটাও জানিয়েছেন তিনি,   'আমি অনেক দলকেই অনুশীলন ম্যাচ খেলিয়েছি। কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায় এসব ম্যাচে তীব্রতা ধরে রাখা কঠিন হয়। কিন্তু আমরা সর্বশেষ ম্যাচটাতে একদম শেষ বল পর্যন্ত সেই আবহ ধরে রাখতে পেরেছি। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলেছে। কাজেই সব কিছু নিয়ে আমি খুশি।'

রোববার এশিয়া কাপ খেলতে বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কায় যাবে।

পাল্লেকেলেতে অনেক রান দেখছেন সাকিব

৩১ অগাস্ট ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করবে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে খুব একটা রানের দেখা পাওয়া না গেলেও এশিয়া কাপে ভিন্ন অবস্থা হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন সাকিব আল হাসান। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের উইকেটকে বোলারদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং দেখছেন তিনি।

৩১ অগাস্ট ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করবে বাংলাদেশ। এই মাঠে আগে একবারই খেলার সুযোগ পেয়েছিল লাল

২০১৩ সালে সেই ম্যাচে অবশ্য আছে সুখস্মৃতি। শ্রীলঙ্কার ৩০২ রানের জবাবে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডিএল মেথডে ২৭ ওভারে ১৮৪ রানের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ জিতেছিল ৩ উইকেটে।  পাল্লেকেলের মাঠে ৩৩ ওয়ানডের মধ্যে ১২ বার হয়েছে তিনশো ছাড়ানো স্কোর। দক্ষিণ আফ্রকার বিপক্ষে ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার এখানে ৩৬৩ রান করার নজিরও আছে। 

গত বছর এই মাঠে সর্বশেষ ম্যাচটিতে আফগানিস্তানের ৩১৩ রান তাড়া করে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। নিয়মিতই তিনশোর বেশি রান হওয়া পাল্লেকেলেতে এবারও রান দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক,  'দেখুন এশিয়া কাপ খেলব পাল্লেকেলেতে। যেহেতু আমাদের প্রথম ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ওখানে সাধারণত আগের যে রেকর্ড আছে ব্যাটিং উইকেটই হয়ে থাকে। ব্যাটসম্যানরা রান করার সুবিধা পায়, বোলারদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং। সেজন্য ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং বড় রানটা করা, দ্রুত রানটা করা। আমাদের সব দিকে প্রস্তুতি থাকতে হবে।'

লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)'এর বেশিরভাগ ম্যাচ হয়েছে কলম্বোতে। সেখানে স্পিনাররাই প্রভাব বিস্তার করেছেন বেশি। তবে সাকিব জানালেন এশিয়া কাপে ভিন্ন উইকেটে খেলা হবে, যেগুলো এলপিএলে ব্যবহৃত হয়নি,  'এলপিএলের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। হয়ত আমরা মাঝের উইকেটগুলোতে খেলিনি যেগুলোতে এশিয়া কাপে খেলা হবে। পিচগুলো ভিন্ন ছিল। ওটার সঙ্গে তুলনা করা কঠিন। কন্ডিশন যেটা দেখে এলাম সেটা খুব বদল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ওটা নিয়ে আলাপ হবে। যেহেতু আমরা তিন-চারদিন আগে যাচ্ছি আমাদের কঠিন হবে না মানিয়ে নিতে। খুব বেশি দূরত্ব না আমাদের এখান থেকে শ্রীলঙ্কা।'

সর্বশেষ
জনপ্রিয়