গরমে ক্রিকেটার-আম্পায়ারদের নাভিশ্বাস, সূচি বদল চান সুজন
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জীবন। রোদের খরতাপে চারপাশ থেকে যেন আগুনের ফুলকি ছুটছে। ১৯৬৫ সালের পর রাজধানী ঢাকায় রেকর্ড তাপমাত্রা। গত ৭২ ঘণ্টায় রাজধানী ও তার আশপাশের তাপমাত্রা ছিল ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গরম অনুভূত হচ্ছে তারচেয়েও বেশি।
খোলা আকাশের নিচে এমন ঝাঁঝালো রোদে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন। এর মধ্যে প্রিমিয়ার লিগে ৫০ ওভারের ম্যাচ। বিকেএসপি, ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী আর মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এক থেকে দুদিন পরপর অন্তত ৭ ঘণ্টা খোলা মাঠে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের।
এ প্রচণ্ড গরমে এত দীর্ঘ সময় খোলা মাঠে কাটানো মানে প্রাণ ওষ্ঠাগত। ক্রিকেটার-আম্পায়ারদের ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। নাভিশ্বাস উঠছে। আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন মনে করেন, এই প্রচণ্ড গরমে সারাদিন মাঠে থেকে খেলা খুব কঠিন। ক্রিকেটারদের ধন্যবাদ দিতে চান তিনি। সঙ্গে আম্পায়ারদের প্রতিও তার সহমর্মিতা।
আজ (রোববার) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘এ গরমে খেলা ভেরি টাফ। নো ডাউট অনেক কঠিন। ছেলেদের ধন্যবাদ দেই। এই গরমে সারাদিন মাঠে থাকা অনেক কঠিন। সেখানে ক্রিকেটাররা মাঠে খেলছে, পারফরমও করছে।’
সুজন যোগ করেন, ‘প্লেয়ারদের পাশাপাশি আম্পায়ার যারা গরমে ম্যাচ পরিচালনা করেছে, তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গরমে আম্পায়ারিং করাটা সহজ না।’
‘ক্রিকেটাররা বারবার অভিযোগ করছে, এই অসহনীয় গরমে সারাদিন খেলা কঠিন। কিন্তু কিছু করার নেই। সারা দিন এই ঝাঁঝালো রোদের মধ্যেই খেলতে হচ্ছে।’
প্রিমিয়ার লিগ দেশের একমাত্র ৫০ ওভারের টুর্নামেন্ট। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসর। কিন্তু এ আসর মাঠে গড়ায় মার্চে । খেলা শেষ হয় মে মাসে। প্রচণ্ড গরমে খেলতে ক্রিকেটারদের নাভিশ্বাস উঠে প্রতিবারই। এবার আরও বেশি।
কেন মার্চ থেকে মে মাসে হয় প্রিমিয়ার লিগ? এ প্রশ্ন অনেকের। আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনও এ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন। উত্তরে সুজন প্রিমিয়ার লিগের সূচি বদলানোর প্রস্তাব দেন।
প্রিমিয়ার লিগকে দেশের অন্যতম সেরা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট আসর বলে অভিহিত করে সুজন বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওয়ান অব দ্য বেস্ট টুর্নামেন্ট প্রিমিয়ার লিগ। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। বিপিএলের চেয়ে এগিয়ে রাখি। হয়তোবা টিভিতে দেখায় না, কিন্তু আপনি টিমগুলোর বাজেট দেখেন, বাজেটও হাই থাকে বড় দলগুলোর। ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট একটা টুর্নামেন্ট। আমরা যদি একটু আগে শুরু করে, গরমের আগে শেষ করতে পারি তাহলে ভালো হয়।’
এবার রমজানের ভেতরেই হলো রাউন্ড রবিন লিগ। সুজনের জানান, ‘অনেকে রোজা রাখতে পারছে না। অনেকে রোজা রেখে খেলছে। সেটা সমস্যা হচ্ছিল। এন্ড অব দ্য ডে অনেকে প্রফেশন হিসেবে মেনে নিচ্ছে। আমি মনে করি, গরমটা অনেকটা টাফ।’
‘খেলাটা ২০ ওভারের হলেও মানা যেতো। কিন্তু ৫০ ওভারের বড় ম্যাচ হয়। একদিন দুইদিন পরপর ম্যাচ খেলতে হয়। সপ্তাহে আপনি তিনটা ম্যাচ খেলছেন। সহজ নয়।’
সুজন আরও বলেন, ‘এই প্রিমিয়ার লিগ থেকেই কিন্তু ওয়ানডে টিম সিলেক্ট করি আমরা। এ আসরে ছেলেদের পারফরম্যান্স জরুরি। সেটার দিকে নজর দিলে হয়তো ভালো হয়। বোর্ড ডিরেক্টর হিসেবে আমি জানি কঠিন। তারপরও আমাদের প্ল্যান করতে হবে। প্রিমিয়ার লিগ আয়োজনে আমরা অন্য কোনো সময় বের করতে পারি কিনা। আমার মনে হয়, আমরা যদি চেষ্টা করি, ক্যালেন্ডারের অন্য সময় খেলা ফেলতে।’
- লস অ্যাঞ্জেলসের কাছে হেরে গেলো মেসির ইন্টার মিয়ামি
- ৮১ হাজার সমর্থকের সামনে মঙ্গলবার বার্নাব্যু অভিষেক এমবাপের
- নতুন কোচিং স্টাফ খুঁজবে বিসিবি
- প্রিলিমিনারি হিটেই বাদ ইমরানুর
- কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে বছর শেষ করবে বাংলাদেশ
- ভুল বোঝাবুঝি! ফিফটির পরই ফিরলেন শান্ত
- বাংলাদেশের বিপক্ষে বিপিএলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন ক্যাম্ফার
- ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ‘নায়ক’ হাসান
- ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতে দল পাঠাবে পাকিস্তান
- ভুটানের নারী লিগে বাংলাদেশের আরও চার ফুটবলার








