ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ট্রাম্পকার্ড হতে পারেন রিশাদ
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
সুপার এইট নিশ্চিতের সুখস্মৃতি সঙ্গী করে বাংলাদেশ দল এখন অ্যান্টিগায়। শীর্ষ আটে সেখানে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে লড়বে টাইগাররা। গ্রুপ পর্বে ফলাফল পক্ষে এলেও নর্থ সাউন্ডের স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে কঠিন হবে কাজটা। এই ভেন্যুতে সেরা ক্রিকেট খেলার বিকল্প নেই টাইগারদের জন্য। সাকিব-রিয়াদ-লিটনদের অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে, তবে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেন।
সুপার এইটে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ধারিত হয়ে যাবে স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে।
ডালাসে শুরু, এরপর নিউ ইয়র্ক ঘুরে কিংসটাউন। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন অ্যান্টিগায়।
সুপার এইটে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ধারিত হয়ে যাবে স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে। প্রথম দুই ম্যাচ নর্থ সাউন্ডের ভেন্যুতে টাইগাররা খেলবে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে।
১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়েছিল ২০০৭ বিশ্বকাপ উপলক্ষে। এবার যেখানে গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৮টা। স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়াম আলোচিত এর আউটফিল্ডের কারণে। ২০০৯ এ ইংল্যান্ড-উইন্ডিজ টেস্ট বাতিল হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১০ বল পর। যদিও এরপর আইসিসির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আগের চেয়ে অনেকটাই উন্নত অ্যান্টিগার আউটফিল্ড।
এই ভেন্যুর উইকেটও এখন বেশ ভালো। পরিসংখ্যান বলছে, পেসাররা বাড়তি সুবিধা পাবে। নতুন বল কিংবা পুরনো, ফুলার অথবা শর্ট অব লেন্থে বল না ফেললে সাফল্য অবধারিত। পাশাপাশি বাড়তি বাউন্স থাকায় হিট দ্যা ডেক পদ্ধতি অবলম্বন করলে এই ম্যাচেও ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন তানজিম সাকিব।
স্পিনারদের জন্য টার্ন পাবার সম্ভাবনা খুবই কম। ফাস্ট উইকেটে রিশাদ হোসেন সৌভাগ্যের কারণ হতে পারে টাইগার বোলিং ইউনিটের। সম্প্রতি নামিবিয়ার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার লেগি অ্যাডাম জাম্পা একাই ঘুরিয়ে দেন ম্যাচ।
তবে রিশাদ কিংবা তানজিম বাংলাদেশের হয়ে আরও একবার পারফর্ম করলেও এই ভেন্যুতে অঘটন ঘটাতে বিকল্প নেই টপ অর্ডার পারফরম্যান্সের। দেড়শর বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে। সময়ের সঙ্গে উইকেটে ব্যাট করা সহজ হয়ে যাওয়ায় টস জেতা দল আগে ফিল্ডিং করতে চাইবে। অ্যান্টিগায় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ১৯০ হলেও প্রথম ইনিংসের গড় রান মাত্র ১২৩, দ্বিতীয় ইনিংসে যা নামে ১০৫ এ।
এখন পর্যন্ত এবারের বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হওয়া ৪ ম্যাচের তিনটাই ছিলো লো স্কোরিং। উইকেটে শুরুর দিকে মানিয়ে নেয়া কিছুটা কঠিন হলেও, পুরানো বলে তা অপেক্ষাকৃত সহজ। যদিও এই মাঠে খেলা ৪ ম্যাচে অভিজ্ঞতা ভয়াবহ টাইগারদের।
২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তা পায়নি বাংলাদেশ। এরপর ২০১৮ তে টেস্ট ম্যাচে ৪৩ রানে অলআউট হবার দুঃস্মৃতি। সবশেষ ২০২২ সালে কিছুটা লড়াই করার কৃতিত্ব সাকিব আল হাসানের। দুই ইনিংসে দুই ফিফটিতে, ইনিংস হার এড়িয়েছিলো অতিথিরা।
- লস অ্যাঞ্জেলসের কাছে হেরে গেলো মেসির ইন্টার মিয়ামি
- ৮১ হাজার সমর্থকের সামনে মঙ্গলবার বার্নাব্যু অভিষেক এমবাপের
- নতুন কোচিং স্টাফ খুঁজবে বিসিবি
- প্রিলিমিনারি হিটেই বাদ ইমরানুর
- কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে বছর শেষ করবে বাংলাদেশ
- ভুল বোঝাবুঝি! ফিফটির পরই ফিরলেন শান্ত
- বাংলাদেশের বিপক্ষে বিপিএলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন ক্যাম্ফার
- ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ‘নায়ক’ হাসান
- ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতে দল পাঠাবে পাকিস্তান
- ভুটানের নারী লিগে বাংলাদেশের আরও চার ফুটবলার








