লিভারপুলকে রুখে দিল ইউনাইটেড, এগিয়ে থাকল আর্সেনাল
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
আর্সেনাল থেকে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করতে পারল না লিভারপুল। শেষদিকে দারুণ সুযোগ পেয়েও অলরেড শিবিরে হাসি ফোটাতে পারেননি লুইস দিয়াজ। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অলরেডদের রুখে দিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অবশ্য ডিফেন্ডার অ্যারন ওয়্যান-বিসাকা ৮৩তম মিনিটে অপ্রয়োজনীয় ফাউল না করলে বরং জয় তুলে নিতে পারত রেড ডেভিলরা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রোববার (৭ এপ্রিল) ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। গুরুত্বপূর্ণ ২ পয়েন্ট খুইয়ে তারা যেন পিছিয়ে পড়েছে লিগ শিরোপার দৌড়ে।
আগের ম্যাচে ব্রাইটনকে হারিয়ে লিভারপুলকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল আর্সেনাল। ৩১ ম্যাচ শেষে ২২ জয় আর ৫ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৭১। ইউনাইডকে হারাতে পারলে শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ ছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যদের। কিন্তু তারা সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। যদিও সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে আর্সেনালের সমান ৭১ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে অলরেডরাও। কিন্তু গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তাদের অবস্থান করতে হচ্ছে দুইয়ে। ৩১ ম্যাচে ২১ জয় আর ৮ ড্র তাদের। সমান ম্যাচে ২১ জয় ও ৭ ড্রয়ে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি।
এদিন অবশ্য পূর্ণ ৩ পয়েন্ট-ই তুলে নেয়ার সুযোগ ছিল লিভারপুলের সামনে। তবে সুবর্ণ সুযোগটি হাতছাড়া করে দলকে হতাশায় পোড়ান লুইস দিয়াজ। নির্ধারিত সময়ের খেলা যখন ২-২ গোলে শেষ, তখন যোগ করার সময়ের চতুর্থ মিনিটে গোলবারের সামনে বল পান দিয়াজ। কিন্তু প্রায় ফাঁকায় বল পেয়েও বারের ওপর তুলে মারেন তিনি।
এদিন অবশ্য দিয়াজই প্রথম গোল করে লিভারপুলকে লিড এনে দিয়েছিলেন। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে কর্নার থেকে সতীর্থের ক্রস আলতো ছোঁয়ায় বাড়িয়ে দেন ডারউইন নুনেজ। ইউনাইটেডের রক্ষণ ফাঁকি দিয়ে কিছুটা শুয়ে পড়ে বাম পা ও হাতের ওপর ভর দিয়ে ডান পায়ে জোরালো শট নেন দিয়াজ। এগিয়ে যায় লিভারপুল।
ঘরের মাঠে অবশ্য প্রথম জালের দেখা পেয়েছিল ইউনাইটেডই। ম্যাচ শুরুর দ্বিতীয় মিনিটেই সতীর্থের পাস দখলে নিয়ে লিভারপুলের জাল কাঁপান আলেহান্দ্রো গারনাচো। কিন্তু রেফারির অফসাইড বাঁশিতে বাতিল হয়ে যায় সে গোল। সে আক্ষেপ দ্বিতীয়ার্ধের ৫০তম মিনিটে পূরণ করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। লিভারপুলের রক্ষণের ভুলে সেন্টার সার্কেলে বল পেয়ে যান পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। জোরালো শটে জাল কাঁপিয়ে ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান তিনি।
এর ১৬ মিনিট পরই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের সমর্থকদের আনন্দ দ্বিগুণ করে দেন ১৮ বছর বয়সী ইংলিশ ফরোয়ার্ড কোবি মাইনো। মাঝমাঠে ক্যাসেমিরোর পাস দখলে নিয়ে লিভারপুলের রক্ষণে ঢুকে পড়েন মাইনো। বক্সে ঢোকার আগে পাস দেন ওয়্যান-বিসাকাকে। এরপর তার থেকে ফিরতি বল পেয়ে লিভারপুলের জালে বল জড়িয়ে লিড এনে দেন ইউনাইটেডকে। ম্যাচে ফিরতে একের পর এক আক্রমণ করে যায় লিভারপুল। কিন্তু কোনোভাবেই তারা জালের দেখা পাচ্ছিল না। ব্যবধান ধরে রেখে জয়ের পথে হাঁটছিল রেড ডেভিলরা। কিন্তু ভুল করে বসেন ডিফেন্ডার ওয়্যান-বিসাকা।
৮৩তম মিনিটে বক্সে ইলিয়টকে অপ্রয়োজনীয় ফাউল করে পেনাল্টি উপহার দেন। সফল স্পটকিকে দলকে সমতায় ফেরান সালাহ। শেষদিকে দিয়াজ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলে জয়টাও পেয়ে যেত ৬৩ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ২৮ শট নেয়া লিভারপুল। কিন্তু তাদের শেষ পর্যন্ত রুখে দিয়েছে ৩৭ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ৯ শট নেয়া ইউনাইটেড। তাতে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুদল। ৩১ ম্যাচে ১৫ জয় আর ৪ ড্রয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে অবস্থান করছে ইউনাইটেড।
- লস অ্যাঞ্জেলসের কাছে হেরে গেলো মেসির ইন্টার মিয়ামি
- ৮১ হাজার সমর্থকের সামনে মঙ্গলবার বার্নাব্যু অভিষেক এমবাপের
- নতুন কোচিং স্টাফ খুঁজবে বিসিবি
- প্রিলিমিনারি হিটেই বাদ ইমরানুর
- কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে বছর শেষ করবে বাংলাদেশ
- ভুল বোঝাবুঝি! ফিফটির পরই ফিরলেন শান্ত
- বাংলাদেশের বিপক্ষে বিপিএলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন ক্যাম্ফার
- ডেথ ওভারে বাংলাদেশের ‘নায়ক’ হাসান
- ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতে দল পাঠাবে পাকিস্তান
- ভুটানের নারী লিগে বাংলাদেশের আরও চার ফুটবলার








