সাংবাদিক আনিস আহমেদের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ
সাংবাদিক আনিস আহমেদের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন।
বাচিক শিল্পী ও ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাংবাদিক আনিস আহমেদের প্রবন্ধের বই ‘কতকথা কথকতা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার ওয়াশিংটন ডিসিতে নাট্যকার, সাহিত্যিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. আব্দুন নুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ফোরাম, ইনক (ডুয়াফি) ভার্জিনিয়ার মেসন ডিস্ট্রিক্ট গভর্নমেন্ট সেন্টারে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডুয়াফির প্রেসিডেন্ট ড. কাইয়ুম খানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সরোয়ার আলম, ড. আমীনুর রহমান এবং ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান ইকবাল বাহার চৌধুরী বইয়ের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
এ সময় আব্দুন নুর বলেন, ‘আনিস আহমেদের এ বই আমার বিবেক আর মুক্ত চিন্তাকে সচেতন করেছে, প্রশ্ন করতে উৎসাহ জুগিয়েছে। তাঁর লেখার বিষয়গুলো আমার হৃদয়কে স্পর্শ করেছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে ও শুনতে পারছি বটে, তবে তা কি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছি, নাকি নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছি সেটিই বিবেচ্য। আমরা জেনেছি বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি জাতি আর রাষ্ট্র দিয়েছেন। তবে দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আরও চার নেতার অবদানকেও কি স্মরণ করছি? এসব বিষয় তুলে ধরেছেন আনিস আহমেদ। তার লেখায় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক, মানবিকতার দিকসহ সর্বজনীন ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। এক কথায় আনিস আহমেদ চিন্তার খোরাক জুগিয়েছেন।’
বইটির ওপর আলোচনায় জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সরোয়ার আলম বলেন, ‘বইয়ের শুরুতেই আনিস আহমেদ নিজের শেকড়ের অনুসন্ধানমূলক বিবৃতি দিয়ে আত্মপরিচর্যার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন এই বইয়ে। এর পাশাপাশি প্রতিফলন ঘটেছে তার ব্যক্তিগত এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়। বইটিতে রয়েছে তার মনোবেদনার বহিঃপ্রকাশ।’
ড. আমীনুর রহমান আলোচনায় বলেন, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য আর সংস্কৃতিসহ সব জায়গাতেই সংখ্যালঘু, ভিন্ন মতাবলম্বী আর অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষগুলোকে প্রান্তিকীকরণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, তাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীতে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর একটি সমাজ তৈরি করা হচ্ছে যে সমাজে ক্ষুদ্রতর বা লঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন একেবারেই গ্রহণযোগ্য ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত মারাত্মক। আনিস আহমেদ দেখিয়েছেন, ক্ষুদ্রতা দিয়ে যখন কল্যাণ চিন্তা করা হয় তখন এক শ্রেণির মানুষকে নিপীড়নের যন্ত্র তৈরি করা হয়। আর আমাদের দেশে এই নিপীড়িত সমাজই তৈরি হচ্ছে।’
শুভেচ্ছা বক্তব্যে ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘আনিস আহমেদের লেখায় সমসাময়িক রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক ঘটনাবলীর প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লিখে যাবেন বলে আশা করি।’
এর আগে বইটির প্রচ্ছদ অঙ্কনের জন্য প্রকৌশলী আনোয়ার ইকবালকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
ডুয়াফির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসরাত সুলতানা মিতার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি ও গান পরিবেশন হয়। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সরকার কবির উদ্দিন ও মাজহারুল হকসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাঙালি উপস্থিত ছিলেন।
- সিআইপি হলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী অহিদুর রহমান
- বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে
‘কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠন - যুক্তরাষ্ট্রে হজরত ঈসার (আ.) জীবনী নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন
- নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন বাইডেন
- নিউইয়র্কে সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি হলেন বাংলাদেশি চৈতি
- যুক্তরাজ্যের নতুন সরকারের মন্ত্রী হলেন টিউলিপ
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব
- মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
- যুক্তরাজ্যে নো ভিসা ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাইকমিশনের বিবৃতি
- সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৫৫ লাখ টাকা দিল স্পেন প্রবাসীরা








