ঢাকা, ২০২৬-০৭-২৬ | ১০ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

৩১ মে’র মধ্যে দেশত্যাগ করা কর্মীরা ঢুকতে পারবেন মালয়েশিয়ায়!

প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ২০:৫২, ১ জুন ২০২৪  

যেসব বিদেশি কর্মী ৩১ মে'র মধ্যে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে নিজ দেশ ত্যাগ করেছেন তাদের প্রবেশে কোনো বাধা দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় শুক্রবার (৩১ মে) রাত ১২টার পর মালয়েশিয়ায় অবতরণ করা বাংলাদেশি কর্মীদেরও ঢুকতে দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন। যদিও মধ্যরাতেই শেষ হয় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর চুক্তির মেয়াদ।

বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১২টার পরে অবতরণ করে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১২টার পরে অবতরণ করে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

 

নির্ধারিত ১০০ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে এফডব্লিউ সিএমএস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রবেশের সবশেষ সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ৩১ মে পর্যন্ত।

 

তবে বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১২টার পরে অবতরণ করে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে। ওই বিমানে থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের নির্বিঘ্নে ইমিগ্রেশন পাস দিয়ে তাদের প্রবেশ করতে দিয়েছে কুয়ালালামপুর কর্তৃপক্ষ

 

অন্যদিকে ৩১ মে শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে অনেক কর্মীই সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া হয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করছেন। এক্ষেত্রে ইমিগ্রেশনের একটি সূত্রে জানা যায়, কোন কর্মী যদি তাদের স্ব স্ব দেশ থেকে ট্রান্সজিট অথবা সরাসরি ফ্লাইটে ৩১ মে'র ভেতরে তাদের দেশ ত্যাগ করে তাহলে মালয়েশিয়া প্রবেশে তাদের কোনো বাধা নেই।

 

দুদেশের মধ্যকার চুক্তির পর ২০২২ সালের ৯ আগস্ট প্রথম দফায় ৫৩ জন বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় প্রবেশের মাধ্যমে এই পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। যদিও এই চুক্তিতে প্রায় ৫ লাখ ২৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর ডিমান্ড লেটার ইস্যু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান।

 

তিনি বলেন, আমরা চেয়েছি সবাই যেন আসতে পারেন। বিভিন্ন জটিলতার কারণে হয়তো সবাই আসতে পারছেন না বা পারবেন না। তবে পরবর্তীতে আমাদের প্রসেসটা চলমান থাকবে। যাদের ক্ষেত্রে এই ভিসা ইস্যু করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে যেন ডেডলাইন নমনীয় করা হয়।

 

চাহিদাপত্র থাকা বাংলাদেশে আটকা পড়া প্রায় ৩০ হাজার কর্মীকে পাঠানোর সময় বাড়াতে মালয়েশিয়া সরকারকে সম্প্রতি ঢাকার পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হলেও কুয়ালালামপুরের পক্ষ থেকে এখনও কোনো জবাব দেয়া হয়নি। ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হলে কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাতে কর্মী নিয়োগ না হয় সে ব্যাপারে প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে শক্ত অবস্থান নিতে হবে বলেও জানান মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা।

 

 

প্রবাসের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়