ঢাকা, ২০২৬-০৮-০৩ | ১৮ শ্রাবণ,  ১৪৩৩

ক্যুইবেক আওয়ামীলীগ এর স্বাধীনতা দিবস ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রবাস নিউজ ডেস্ক :

প্রকাশিত: ০৭:৪২, ২৯ মার্চ ২০২৩  

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কানাডা ক্যুইবেক শাখার আয়োজনে গত ২৬শে মার্চ ৫২তম মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শাহ মোঃ ফায়েক এর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্যুইবেক আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মুন্সী বশির, এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এম.কিও.পি. কনভেনার এডভোকেট ইউলিয়াম স্লোন।
আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান স্বাধীনতা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সুইট, সাংগঠনিক সম্পাদ সৈয়দ মেহেদী রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদ মতিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াকুব, মুক্তিযোদ্ধা আ শ ম ইসমায়িল, রনজিত মজুমদার, শাহজান ভুইয়া, মায়নুল সরকার, আনোয়ার চৌধুরী, আজিজুল হক চৌধুরী, লেখক আবিদুল হাসিব, ইসমাইল হোসেন, দিন মোঃ তপন প্রমূখ। 
কোরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাত করেন আব্দুল গফুর।
ক্যুইবেক আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মুন্সী বশির বক্তব্য বলেন, ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এক তার বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২৬ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে এম.এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণের ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। পরে ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান একই কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা যখন আমাদের স্বাধীনতা উদযাপন করি, আমাদের পূর্বপুরুষরা যে মূল্যবোধ এবং নীতিগুলির জন্য লড়াই করেছিলেন সেগুলিও স্মরণ করি। 
আসুন আমরা গণতন্ত্র, ন্যায় ও সাম্যের আদর্শকে সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হই এবং এমন একটি সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করি যেখানে প্রতিটি নাগরিক তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা উপলব্ধি করার সুযোগ পায়।
বক্তারা আরও বলেন, ২৬শে মার্চ এমন একটি দিন যা আমাদের দেশের ইতিহাসের ইতিহাসে চিরকাল লেখা থাকবে। সেই দিন যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানি শাসকদের অত্যাচার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং তাদের পরাধীনতা থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছিল। এটি এমন একটি দিন ছিল যখন আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার জিতেছিলাম এবং একটি সার্বভৌম জাতি হয়েছিলাম।

সৌজন্যে : বঙ্গবানী ডেস্ক

প্রবাসের খবর বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়